Notice :
আমাদের নিউজ সাইট এ আপনার প্রতিষ্ঠান এর বিজ্ঞাপন দিন আর প্রতিষ্ঠান কে পরিচিত করে তুলুন বিশ্বব্যাপি।
ভেড়ামারায় অভিনব কায়দায় বাল্যবিয়ে :: বর-কনের পিতার কারাদন্ডসহ কনের ফুপুকে অর্থদন্ড

ভেড়ামারায় অভিনব কায়দায় বাল্যবিয়ে :: বর-কনের পিতার কারাদন্ডসহ কনের ফুপুকে অর্থদন্ড

আল-মাহাদী, ভেড়ামারা (কুষ্টিয়া) প্রতিনিধি :: কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় বাল্য বিয়ে দিতে অভিনব কায়দা অবলম্বন করে বিয়ে দেওয়ায় অভিযান চালায় উপজেলা প্রশাসন। সেই সাথে বর-কনের পিতার কারাদন্ডসহ কনের ফুপুকে অর্থদন্ড করেছে ভ্রাম্যান আদালত। আজ শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) বেলা ৩টার দিকে তাদের আটকের পরে ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে তাদের এ কারাদণ্ড দেন ভেড়ামারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সোহেল মারুফ। কারাদণ্ড প্রাপ্তরা হলেন, কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা উপজেলার সাতবাড়িয়া মন্ডলপাড়া এলাকার মেজবান মন্ডলের ছেলে ও কনের পিতা তারিফ মন্ডল (৪১), জুনিয়াদহ এলাকার এনামুর রশিদ বুলবুলের ছেলে ও বর আহাদুর রশিদ (২২) এবং কনের ফুপু হানুফা খাতুনকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

ভেড়ামারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সোহেল মারুফ জানান, ভেড়ামারা উপজেলার সাতবাড়িয়া মন্ডলপাড়ায় ১৪ বছর বয়সী ৮ম শ্রেনির এক ছাত্রীর বাল্য বিবাহ হচ্ছে এমন সংবাদের ভিত্তিতে উক্ত এলাকায় শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) দুপুরে অভিযান চালানো হয়। এসময় কনের বাড়ীতে গিয়ে দেখা যায় বিয়ের আয়োজন। কিন্তু সেটি বাল্য বিয়ে না। অভিযোগ বাল্য বিয়ে হলেও কনে প্রাপ্ত বয়স্ক। পরে আবারো অভিযোগ পাওয়া যায় যে সেখানে যে বিয়ে হচ্ছে সেটা বাল্য বিয়ে, অন্য মেয়েকে কনে সাজিয়ে প্রশাসনকে বিভ্রান্ত করা হয়েছে। আবারো উক্ত বাড়ীতে অভিযান চালানো হয়। এসময় কনে পরিচয় দেওয়া শাম্মি নামের মেয়েকে আটক করে থানায় নিয়ে আসা হয়। পরে জিজ্ঞাসাবাদে তারা স্বীকার করে যে বাল্য বিয়েকে ধামাচাপা দিতে তারা এ কৌশল অবলম্বন করেছে। পরে ভেড়ামারা থানায় কনের পিতা, কনে ও বিয়ের বরকে হাজির করা হয়। তারা জানায়, কৌশলে তারা প্রশাসনকে বিভ্রান্ত করেছে ঘটনা ভিন্নখাতে উপস্থাপন করতে। এ ঘটনায় বাল্য বিয়ে দেওয়ার অপরাধে বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন ২০১৭ মোতাবেক কনের পিতা তারিফ মন্ডলকে ৬মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড, অপ্রাপ্ত বয়স্ক মেয়েকে বিয়ে করার অপরাধে বর আহাদুর রশিদকে ১ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড, এবং মিথ্যা তথ্য দিয়ে বিভ্রান্ত করা ও বাল্যবিবাহে সহায়তা করার দায়ে একই আইনে কনের ফুপু হানুকা খাতুনকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। সোহেল মারুফ আরো জানান, শাম্মি আক্তার ভুয়া কনের সাজার ব্যাপারে জানায় যে তার বাবা মা, তারিনের বাবা মা তাকে বাধ্য করেছে মিথ্যা কথা বলতে ও নিজেকে ভুয়া কনে হিসেবে নিজেকে উপস্থাপন করতে। বাল্য বিবাহ প্রতিরোধে এ ধরনের অভিযান অব্যহত থাকবে বলেও জানান এই কর্মকর্তা।

আপনার সামাজিক মিডিয়ায় এই পোস্ট শেয়ার করুন

ফটো গ্যালারি

CLICK HERE FOR ADVERTISE এখানে বিজ্ঞাপন দিন Order Now: +9609648647
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি। © সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯